গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
অধিনায়কের কার্যালয়
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫
কক্সবাজার।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখঃ ০১ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।
টেকনাফে এসআরবি-১৫ ও বিজিবির যৌথ অভিযান, ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪ (চার)।
মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন এবং সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার ও মাদক কারবারিদের অপতৎপরতা রোধে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন(এসআরবি) নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) এবং ২ বিজিবি, টেকনাফ ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ০৪ (চার) মাদক কারবারি’কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অদ্য ০১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১৩:৩০ ঘটিকায় এসআরবি-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) এবং ২ বিজিবি, টেকনাফ ব্যাটালিয়নের যৌথ আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন সদর ইউনিয়ন পরিষদের ০৮নং ওয়ার্ডস্থ বিআরএম-৫ (সীমান্ত পিলার) হতে আনুমানিক ০১ কিলোমিটার দক্ষিণে গফুর মেম্বারের প্রজেক্ট সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে থাকা মাদক কারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলে আভিযানিক দল ০৪ (চার) মাদক কারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ১,২৯,৬০০ (এক লক্ষ ঊনত্রিশ হাজার ছয়শত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার কাঠের বোট জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে মাদক কারবারের কাজে ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও একটি বাটন ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হল- টেকনাফ পৌরসভার উত্তর জালিয়াপাড়ার আব্দুল খালেক (২৫) ও নুর ফয়সাল (২৫), ইসলামাবাদ এলাকার মিজানুর রহমান @ মিজান উদ্দিন (২৪) এবং উখিয়ার থাইংখালী ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হাফেজ আহমদ (২৯)। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামিরা উদ্ধারকৃত বোট ব্যবহার করে অবৈধ মাদক ব্যবসা ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত আলামতসহ টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান ও অপরাধ দমনে এসআরবি-১৫ এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




